মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সাম্প্রতিক কর্মকান্ড

(ক)  হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প

২০০৪ এবং ২০১০ সালে সুনামগঞ্জ জেলায় অত্যাধিক বন্যায় হাওর অঞ্চলের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। বন্যা পরবর্তী সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১০/১১/২০১০ খ্রিঃ তারিখে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর সফরকালে সুরমা-বৌলাই নদী সিস্টেম খনন কাজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। সে প্রেক্ষিতে আই ডব্লিউ এম এবং সি ই জি আই এস এর যৌথ সমীক্ষার আলোকে “হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন” শীর্ষক আলোচ্য প্রকল্পটি গৃহীত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে হাওর এলাকার বোরো ফসল আগাম বন্যার কবল হতে রক্ষা পাবে। সুরমা-বৌলাই নদী সিস্টেম ড্রেজিং এর ফলে হাওর এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হবে, ফলে আগাম বন্যা হতে ফসল রক্ষা পাবে। প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জ জেলায় ডুবন্ত বাঁধ পুনঃনির্মাণ, পুরতান রেগুলেটর পুনর্বাসন ও নদী ড্রেজিং কাজ অর্ন্তভূক্ত রয়েছে। তন্মধ্যে ডুবন্ত বাঁধ পুনঃনির্মাণ, পুরতান রেগুলেটর পুনর্বাসন কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পের আওতায় সংস্নথানকৃত নদী ড্রেজিং কাজের মধ্যে ইতোমধ্যে আপার বাউলাই, যদুকাটা ও রক্তি নদী ড্রেজিং কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে। পুরতান সুরমা নদী, নলজোড় ও চামতি নদী খনন কাজ চলমান রয়েছে।

ক্রমিক নং

নদীর নাম

দৈর্ঘ্য (কিমি)

চুক্তি মূল্য

(কোটি টাকা)

অগ্রগতি

রক্তি

৬.০০০

১৭.০৭

অগ্রগতি ৯০%।

যদুকাটা

৬.১২৫

৮.১১

কাজ সমাপ্ত।বাস্তব অগ্রগতি ৯৮%।

আপার বাউলাই

১৬.০০০

৩০.৭০

পোষ্ট-ওয়ার্ক পরিমাপ অনুযায়ী চুড়ান্ত অগ্রগতি ৯১.২৫%।

পুরাতন সুরমা

৪০.০০০

৪৬.৯৭

তিনটি ড্রেজারের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়ন চলমান। বাস্তব অগ্রগতি ৭০%।

নলজোড়

১০.০০০

৯.৩৮

কাজ বাস্তবায়ন চলমান। বাস্তব অগ্রগতি ৫৫%।

চামতি

১৭.২২৫

৪৬.৭৫

চারটি ড্রেজারের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়ন চলমান। বাস্তব অগ্রগতি ৬৫%।

 

মোট

৯৫.৩৫০

১৫৯.০৪

 
 

 

(খ)  কাবিটার আওতায় হাওরের ডুবন্ত বাঁধ মেরামত কাজ

সুনামগঞ্জ জেলায় বিভিন্ন হাওরের বোরো ফসল আগাম বন্যার কবল হতে রক্ষার্থে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সুনামগঞ্জ ষাটের দশক হতে আরম্ভ করে এ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় মোট ৩৭টি হাওর সহ অন্যান্য হাওর উপ-প্রকল্পের ডুবন্ত বাঁধ নির্মাণ করেছে। মূলতঃ এই বাঁধগুলো ডুবন্ত বাঁধ। হাওরে মৎস চাষ, নৌচলাচল ও বন্যার প্রকোপ কমানোর লক্ষ্যেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এ সব বাঁধ নির্মান করা হয়। প্রতিবছর বর্ষাকালে এই সব বাঁধ প্রায় ৬ থেকে ৭ মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকে। বোরো ফসল উঠার পর বর্ষার আগমনে হাওরে পানি প্রবেশকালে এবং বর্ষা শেষে পানি বের হওয়ার সময়ে প্রতিবছরই ডুবন্ত বাঁধ বিভিন্ন মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। স্বাভাবিক নিয়মেই প্রতিবছর বর্ষা শেষে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্থ অংশগুলো মেরামত করা হয় এবং পরবর্তী বোরো ফসল রক্ষার পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

 

২০১৫-২০১৬ ও ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে সুনামগঞ্জ জেলায় স্মরণকালের ভয়াবহ আগাম বন্যার কারণে বোরো ফসলের মারাত্নক ক্ষতি সাধিত হয়। ফলে উক্ত সময়কালে খাদ্য উৎপাদনে দেশে মারাত্নক ঘাটতি দেখা দেয়। জাতীয় পর্যায়ে জিডিপি এর উপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এর ফলে গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ খাতে সুনামগঞ্জ জেলায় আগাম বন্যার হাত হতে বোরো ফসল রক্ষার জন্য বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণসহ যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বিশেষভাবে নির্দেশনা প্রদান করেন। বর্ণিত অবস্থার প্রেক্ষিতে, ২০১৭ সালের আগাম বন্যার কারণে ফসলহানি জন্য হাওর এলাকায় বোরো ফসল রক্ষার নিমিত্ত ডুবন্ত বাঁধ মেরামত ও পুনঃনির্মাণ কাজের জন্য কাবিটা/কাবিখা নীতিমালা-২০১০ আমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় এবং সে আলোকে সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা-২০১৭ প্রণীত হয়। এ নীতিমালায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অন্তর্ভূক্তকরণ পূর্বক জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে কাবিটার আওতায় হাওর এলাকায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ মেরামত, নদী/খাল পুনঃখননের জন্য স্কীম প্রস্তুত ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরো সুনির্দিষ্টভাবে সম্পৃক্ত করা হয়। কাবিটার সকল আর্থিক কর্মকান্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে শাখা কর্মকর্তার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়। তাছাড়া সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা-২০১৭ অনুযায়ী কাবিটা স্কীম প্রণয়ন, প্রাক্কলন প্রস্তুত, পিআইসি গঠন ও বাস্তবায়ন কাবিটা উপজেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটি কর্তৃক সম্পন্ন করা হয়। বিগত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে এ নীতিমালার আওতায় ৯৬৫টি পিআইসির মাধ্যমে হাওরের প্রায় ১৩৫০ কিমি দৈর্ঘ্যে ডুবন্ত বাঁধ মেরামত/পূনঃনির্মাণ করা হয়।

 

সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা-২০১৭ এর আওতায় ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে সুনামগঞ্জ জেলায় প্রায় ১৪৯০ কিমি বাঁধের জরিপ কাজ সম্পন্ন পূর্বক অনুন্নয়ন রাজস্ব খাতের আওতায় ৫১৮ টি পিআইসি এবং উন্নয়ন প্রকল্প (হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন (২য় সংশোধিত)) এর আওতায় ৪৪৭ টি পিআইসিসহ সর্বমোট ৯৬৫টি পিআইসির মাধ্যমে ৩৭টি হাওরে ১৩৫০ কিমি ডুবন্ত বাঁধ মেরামত ও পুনঃ নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করা হয়।

২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে কাবিটা নীতিমালা-২০১৭ এর আওতায় সুনামগঞ্জ জেলার ১১টি উপজেলায় গৃহীত কার্যক্রম, উপজেলা কমিটি কর্তৃক চাহিদা, খরচের বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলো ঃ

 

ক্রমিক নং

উপজেলার নাম

উন্নয়ন

অনুন্নয়ন

মোট (উন্নয়ন+অনুন্নয়ন)

গঠিত পিআইসির সংখ্যা

খরচের পরিমাণ (লক্ষ টাকা)

গঠিত পিআইসির সংখ্যা

খরচের পরিমাণ (লক্ষ টাকা)

গঠিত পিআইসির সংখ্যা

খরচের পরিমাণ (লক্ষ টাকা)

সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-১

   

সুনামগঞ্জ সদর

৭৬.৬৩

৪৫

৮১৪.৯৩

৪৯

৮৯১.৫৬

বিশ্বম্ভরপুর

১৮

৩৬০.৬৩

২৩

৩৫৫.৫২

৪১

৭১৬.১৫

জামালগঞ্জ

৩৫

৬০৫.০৪

৬৫

৯৯৪.০৭

১০০

১৫৯৯.১১

তাহিরপুর

৩১

৬৪১.৪৮

৬৬

১১৬৩.৫৪

৯৭

১৮০৫.০২

ধর্মপাশা

৭৮

১১৯৬.৯০

৫৭

১০৬৯.৪৬

১৩৫

২২৬৬.৩৬

মোট

১৬৬

২৮৮০.৬৮

২৫৬

৪৩৯৭.৫২

৪২২

৭২৭৮.২০

সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-২

   

শাল্লা

১২৩

২২৮৮.৫২

৫৭

৮৪০.৭৭

১৮০

৩১২৯.২৯

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ

৪৯

৭৯০.৪৪

৩১

৪৬০.৪০

৮০

১২৫০.৮৪

দোয়ারাবাজার

২৬

৩১৯.২৮

২২

১৬৫.৫৬

৪৮

৪৮৪.৮৪

জগন্নাথপুর

২৫

২৬৩.৪৭

৭০

৮০৮.১২

৯৫

১০৭১.৫৯

দিরাই

৫৬

৮২১.৬৭

৭৪

১০২৮.৫০

১৩০

১৮৫০.১৭

ছাতক

৬.২১

৯৫.০২

১০

১০১.২৩

মোট

২৮১

৪৪৮৯.৫৯

২৬২

৩৩৯৮.৩৭

৫৪৩

৭৮৮৭.৯৬

সর্বমোট

৪৪৭

৭৩৭০.২৭

৫১৮

৭৭৯৫.৮৯

৯৬৫

১৫১৬৬.১৬

 

সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা-২০১৭ এর আওতায় ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে সুনামগঞ্জ জেলায় অনুন্নয়ন খাত ও উন্নয়ন খাতে সর্বমোট ৯৬৫টি পিআইসির মাধ্যমে ৩৭টি হাওর ও ১৬টি অন্যান্য উপ-প্রকল্পের সর্বমোট ১৩৫০ কিমি বাঁধ নির্মাণ কাজ সমাপ্ত পূর্বক হাওরের বোরো ফসল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

 

২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে সুনামগঞ্জ জেলায় হাওর এলাকা পানি নামার ক্ষেত্রেও মারাত্মক ¯øথগতি পরিলক্ষিত হয়। এর ফলে হাওরের পানি নিষ্কাশনে কিছু সংখ্যক হাওর অভ্যন্তরীন খাল পুনঃখনন ও রেগুলেটর মেরামতের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পন্নের পর জানুয়ারীর মাঝামাঝি সময় হতে আরম্ভ করে ১৫ মার্চ ২০১৮ এর মধ্যে মাত্র ২ মাস সময়ে এ বিশাল পরিমাণ কাজ সমাপ্ত করা হয় যা, একটি অভূতপূর্ব সাফল্য। সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা-২০১৭ অনুযায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় জনসাধারন, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় এ বিশাল পরিমাণ বাঁধ নির্মাণ কাজ যথাযথভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হয়েছে।  ফলে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সুনামগঞ্জ জেলায় ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র ৮.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন হতে ছাড়িয়ে যায় এবং প্রায় ১২.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন সম্ভবপর হয় (সূত্রঃ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ), যার বাজার মূল্য ছিল ৩১২৫.০০ কোটি টাকা। উৎপাদিত এ বিশাল পরিমাণ ধান দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং সুনামগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় তথা সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।

 

সুনামগঞ্জ জেলায় কাবিটার আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাপাউবো কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম ঃ

                                                                                      

বর্তমান ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ডুবন্ত বাঁধের ক্ষতিগ্রস্থ অংশসমূহ সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা-২০১৭ এর আওতায় মেরামত/পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে হাওরের বোরো ফসল রক্ষার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় সার্ভে কাজ ও প্রাক্কলন প্রস্তুত সম্পন্ন পূর্বক সুনামগঞ্জ জেলায় ৪৫০.১৮৪ কিমি দৈর্ঘ্যে ৫৭২টি স্কীমের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে কাবিটার আওতায় গৃহীত কার্যক্রম ও চাহিদার বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলোঃ

ক্রমিক নং

উপজেলার নাম

জেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত স্কীমের সংখ্যা

দৈর্ঘ্য (কিমি)

চাহিদা (লক্ষ টাকা)

মন্তব্য

সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-১

 

সুনামগঞ্জ সদর

৩.৬৭

৬৩.৬৬

 

বিশ্বম্ভরপুর

১৬

১৫.২৩১

৩১৪.১৭

 

তাহিরপুর

৬৬

৫৫.৩৪৯

১৩৪১.১৩

 

ধর্মপাশা

৮৯

৬৩.০৫৯

১৬৭৯.৬১

 

জামালগঞ্জ

৫৩

৬২.০৫৬

৮২৯.০৭

 

মোট

২৩৩

১৯৮.৪১১

৪২২৭.৬৪

 

সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-২

 

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ

৪২

৩৮.৩৩০

৪৪২.৮৮

 

জগন্নাথপুর

৫০

৩১.৮২০

৫৪৭.৯৭

 

ছাতক

৪.৩৬০

১০৪.৭৭০

 

দোয়ারাবাজার

২৩

১০.৪৯৩

২১১.০৬

 

দিরাই

১০২

৭৪.৫৪৩

১৯৬৭.৫৯

 

শাল্লা

১১৫

৯২.২২৭

২২৫৩.৯০

 

মোট

৩৩৯

২৫১.৭৭৩

৫৫২৮.১৭

 

সর্বমোট

৫৭২

৪৫০.১৮৪

৯৭৫৫.৮১

 

 

 

 

 

(ঘ)  ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্প (১ম পর্যায়)

 

গত ২৭ মার্চ ২০১৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বিশ্ব পানি দিবসের আলোচনা সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সচিব মহোদয়গনকে  উদ্দেশ্য করে বলেন,“নদীকে কিভাবে রক্ষা করা যায়, নদীর নাব্যতা বাড়ানো যায়, নদীর ধারন ক্ষমতা বাড়ানো যায় এবং নদী আমাদের অভিশাপ নয় বরং আর্শীবাদ হিসাবে যেন নিজের অস্তিত্ব ঠিক রাখতে পারে, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মূল দায়িত্ব”।

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং বর্নিত বিষয়সমূহের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় খাল, জলাশয় ও ছোট নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি, পানি ধারন ক্ষমতা বাড়ানো, গ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জ ও জীব-বৈচিত্র সংরক্ষনের লক্ষ্যে অঙ্গসমূহ পুনঃখনন করার নিমিত্ত প্রস্তাবিত প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

 

প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জ জেলায় বাস্তবায়নাধীন কাজের তথ্যাদি ঃ

ক্রমিক নং

ছোট নদী/খালের নাম

উপজেলা

দৈর্ঘ্য (কিমি)

চুক্তিমূল্য (লক্ষ টাকা)

মন্তব্য

সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-১

 

রাতলা খাল

জামালগঞ্জ

২.৫০০

১৬৩.২০

 

আহম্মকখালী খাল

তাহিরপুর

২.০০০

২৯.৩৭

 

রাজাপুর হতে চানপুর খাল

ধর্মপাশা

২.৬০০

১২৪.৫৪

 

ধামালিয়া খাল

বিশ্বম্ভরপুর

৮.০০০

২৯২.০৮

 

নৌকাখালী খাল

সুনামগঞ্জ সদর

৩.৫০০

১৪৭.৬৬

 

ধলাই নদী

সুনামগঞ্জ সদর

৪.০০০

৩১৫.২০

 

উপমোট

২২.৬০০

১০৭২.০৫

 

সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-২

 

আব্রার খাল

শাল্লা

২.৫০০

৫৯.১১

 

মনঝুড়ি খাল

দিরাই

০.৯০০

৩০.৩২

 

রাইলী সুনগাঁও নৌকাভাঙ্গা খাল

দোয়ারাবাজার

৬.০০০

২১৯.৭১

 

ইটাখোলা খাল

জগন্নাথপুর

২.৫০০

১৭৬.৭৩

 

গোলাদাইর খাল

ছাতক

৩.০০০

৪৭.৯৩

 

উপমোট

১৪.৯০০

৫৩৩.৮০

 

মোট

৩৭.৫০০

১৬০৫.৮৫

 

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter